MT
গাইনি ও স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
বাংলাEN

মাসিকের ব্যথায় কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত?

মাসিকের সময় পেট বা তলপেটে ব্যথা হওয়া সাধারণ, বিশেষ করে মাসিকের প্রথম এক-দুই দিনে। তবে ব্যথা যদি খুব তীব্র হয়, আগের তুলনায় স্পষ্টভাবে বদলে যায়, ক্রমশ বাড়ে বা বারবার দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত করে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

যেসব লক্ষণ চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত

  • ব্যথা নতুনভাবে শুরু হয়েছে, আগের তুলনায় অনেক বেশি বা সময়ের সঙ্গে বাড়ছে।
  • ব্যথার কারণে নিয়মিত কাজ, পড়াশোনা, ঘুম বা স্বাভাবিক দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হচ্ছে।
  • অতিরিক্ত রক্তপাত, দুই মাসিকের মাঝখানে রক্তপাত বা সহবাসের পরে রক্তপাত হচ্ছে।
  • সহবাসের সময় ব্যথা, দীর্ঘস্থায়ী তলপেট বা পেলভিক ব্যথা, অথবা মাসিকের মাঝামাঝি সময়েও ব্যথা থাকে।
  • পেলভিক ব্যথার সঙ্গে জ্বর, অস্বাভাবিক স্রাব, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হওয়ার মতো উপসর্গ থাকে।
একটি সহজ উপসর্গের ডায়েরি উপকারী হতে পারে: তারিখ, ব্যথার তীব্রতা, রক্তপাতের ধরন এবং একই সময়ে হওয়া অন্যান্য উপসর্গ নোট করে রাখুন।

কখন দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া দরকার হতে পারে

তীব্র বা দ্রুত বাড়তে থাকা তলপেট বা পেটের ব্যথা, অজ্ঞান হওয়া, খুব বেশি রক্তপাত, তীব্র ব্যথার সঙ্গে জ্বর, অথবা গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকা অবস্থায় উল্লেখযোগ্য ব্যথা হলে দ্রুত চিকিৎসা মূল্যায়ন প্রয়োজন হতে পারে।

চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সময় কী সঙ্গে নেবেন

সম্ভব হলে সাম্প্রতিক মাসিকের তারিখ, বর্তমানে খাওয়া ওষুধ বা সাপ্লিমেন্টের তালিকা, প্রাসঙ্গিক রিপোর্ট এবং কোন অবস্থায় ব্যথা বাড়ে বা কমে তার সংক্ষিপ্ত নোট সঙ্গে রাখুন।

স্বাস্থ্য তথ্য

এই নিবন্ধটি সাধারণ স্বাস্থ্যশিক্ষার জন্য। এটি রোগনির্ণয় বা ব্যক্তিভিত্তিক চিকিৎসা পরিকল্পনা নয়। নিজের উপসর্গ বা উদ্বেগের জন্য সরাসরি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।